ঈদের আগের রাতে ঘুমটা কোথায় হারাত?
নতুন জামাটা বারবার বের করে দেখা, আবার যত্ন করে ভাঁজ করে রাখা। জুতার বাক্সটাও কাছে চাই। ঈদের আগের রাতে মনে হতো, সকালটা হতে এত দেরি হচ্ছে কেন? বাড়ির রান্নাঘরে তখন ব্যস্ততা, কোথাও মেহেদি দেওয়ার আসর, কোথাও শেষ মুহূর্তের ইস্ত্রি।
সকালে তাড়াতাড়ি উঠে তৈরি হওয়ার উত্তেজনাটাই আলাদা। সেমাইয়ের ঘ্রাণ, সালামি রাখার ছোট পকেট, বন্ধুদের সঙ্গে কার জামা কেমন হলো তা দেখা। সালামির টাকা গুনতে গুনতে একই নোট বারবার বের হতো। সেই টাকা দিয়ে কী কেনা হবে, তার পরিকল্পনাও বদলাত বারবার।
সব বাড়ির ঈদ এক রকম ছিল না, সবার নতুন জামাও হতো না। তবু কারও দরজায় গিয়ে কুশল জিজ্ঞেস করা, একটু খাবার ভাগ করে নেওয়া আর একসঙ্গে হাসার মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ত। বড় হয়ে ঈদ ফিরলেও, সেই অপেক্ষার রাতটা আর ঠিক আগের মতো ফিরে আসে না।
— অধ্যায়ের সমাপ্তি —